প্রকল্প বন্ধ ছয় বছর, পাহারায় দুই বৃদ্ধ: তিন বছর ধরে মিলছে না বেতন

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬২০২৬, ১১:৩০ PM ৫৭ বার পড়া হয়েছে
প্রকল্প বন্ধ ছয় বছর, পাহারায় দুই বৃদ্ধ: তিন বছর ধরে মিলছে না বেতন
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জের পল্লী জনপদ প্রকল্পে পড়ে আছে সরকারি সম্পদ; পাওনা দাবি প্রায় ১০ লাখ টাকা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি, 

নির্মাণকাজ বন্ধ হয়েছে প্রায় ছয় বছর। নেই কোনো কর্মচাঞ্চল্য, নেই নতুন নির্মাণের কার্যক্রম। প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন স্থানে পড়ে আছে নির্মাণসামগ্রী ও সরকারি সরঞ্জাম। অথচ বন্ধ প্রকল্পের সম্পদ পাহারায় এখনো দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন গোপালগঞ্জের দুই প্রবীণ কর্মী। অভিযোগ, এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গত তিন বছর ধরে তারা কোনো বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।

Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদাসপুর ইউনিয়নের ভেড়ারবাজার এলাকায় ‘পল্লী জনপদ, গোপালগঞ্জ’ গৃহায়ন প্রকল্পে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্পটির কাজ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ)-এর তত্ত্বাবধানে শুরু হলেও পরবর্তীতে সরকারি সিদ্ধান্তে এর কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।

প্রকল্প এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী দুই কর্মী হলেন ৬৫ বছর বয়সী মো. বিশু মাতুব্বর ও ৬৬ বছর বয়সী জালু শেখ। তাদের দাবি, প্রায় তিন বছর ধরে তারা নিয়মিত প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করছেন এবং সরকারি সম্পদ পাহারা দিচ্ছেন। কিন্তু এ সময়ে তাদের কোনো বেতন পরিশোধ করা হয়নি।

Advertisement
Advertisement

দুই কর্মীর হিসাব অনুযায়ী, বেতন-ভাতা বাবদ তাদের মোট পাওনা প্রায় ১০ লাখ টাকারও বেশি। দীর্ঘদিন আয় না থাকায় তাদের সংসারে দেখা দিয়েছে তীব্র আর্থিক সংকট।

বিশু মাতুব্বর ও জালু শেখ জানান, প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এলাকায় থাকা বিভিন্ন মালামাল ও সরঞ্জাম রক্ষার জন্য তাদের সেখানে থাকতে হচ্ছে। দায়িত্ব ছেড়ে চলে গেলে সরকারি সম্পদ চুরি বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে বেতন না পেলেও তারা এতদিন দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

Advertisement
Advertisement

তাদের অভিযোগ, প্রকল্প এলাকায় অতীতে কয়েক দফা মালামাল চুরির ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় মামলা-মোকদ্দমার খরচ চালাতেও তাদের নিজেদের অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। কখনো নিজেদের জমানো টাকা, আবার কখনো ধারদেনা করে তারা এসব খরচ বহন করেছেন বলে জানান।

বিশু মাতুব্বর বলেন, ‘বেতন না পেলেও সরকারি মালামালের দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারিনি। এতদিন কাজ করেছি। এখন অন্তত আমাদের পাওনাটুকু দেওয়া হোক। বয়স হয়েছে, নতুন করে কাজ পাওয়ারও সুযোগ নেই।’

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: বাবাকে হারানোর পরও থামেনি স্বপ্ন, ডাক্তার হতে চায় টুঙ্গিপাড়ার শয়ন

বাবাকে হারানোর পরও থামেনি স্বপ্ন, ডাক্তার হতে চায় টুঙ্গিপাড়ার শয়ন

জালু শেখও একই ধরনের দাবি জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, দীর্ঘদিন কাজ করার পর বেতন না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে তিনি চরম কষ্টে রয়েছেন। বয়সের কারণে শারীরিকভাবে কঠিন কাজ করাও এখন তার পক্ষে সম্ভব নয়।

নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

দুই কর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঠিকাদারি সাপ্লায়ার প্রতিষ্ঠান ‘কোয়ান্টাম’-এর মালিক রফিকুল ইসলাম তাদের নিয়োগ দিয়েছিলেন। বকেয়া বেতন-ভাতা পাওয়ার বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তারা কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাননি বলে অভিযোগ করেন।

Advertisement
Advertisement

বিষয়টি নিয়ে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় সরকারি সম্পদের বর্তমান অবস্থা এবং সেগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করা দুই প্রবীণ কর্মীর বেতন-ভাতা পরিশোধ না হওয়ার বিষয়টিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Advertisement
Advertisement

দুই কর্মীর দাবি, তারা আর কোনো অতিরিক্ত সুবিধা চান না। দীর্ঘদিনের শ্রমের বিনিময়ে যে বেতন-ভাতা তাদের পাওনা, সেটুকু বুঝিয়ে দিলেই তারা সন্তুষ্ট। এরপর তাদের দায়িত্বে রাখা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষ নিলেও তাদের আপত্তি নেই।

স্থানীয়দের মতে, একদিকে বন্ধ প্রকল্পের সরকারি সম্পদ সংরক্ষণ, অন্যদিকে দুই প্রবীণ কর্মীর দীর্ঘদিনের বকেয়া—দুই বিষয়ই দ্রুত সমাধানের দাবি রাখে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা ও কর্মীদের পাওনা নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
১৭ আগস্ট ২০২৬

ট্যাগ:

গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬২০২৬, ১১:০৩ PM ৫০ বার পড়া হয়েছে
গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী ব্রিজের উত্তর পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

Advertisement
Advertisement

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাদের গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ এবং গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইজাজ হোসেন দুর্ঘটনায় হতাহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Advertisement
Advertisement

তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহত তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ:

নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬২০২৬, ১১:৩২ AM ৫৭ বার পড়া হয়েছে
নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

বরগুনায় পায়রা নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজের ৩৩ ঘণ্টা পর এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বরগুনা থানার ওসি আবু সাহাদৎ মো. হাচনাইন পারভেজ কাদামাটিকে বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় তালতলীর জয়ালভাঙা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রাবেয়া আক্তার জুঁই (১৫) রাজধানীর মিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: প্রকল্প বন্ধ ছয় বছর, পাহারায় দুই বৃদ্ধ: তিন বছর ধরে মিলছে না বেতন

প্রকল্প বন্ধ ছয় বছর, পাহারায় দুই বৃদ্ধ: তিন বছর ধরে মিলছে না বেতন

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে বরগুনার লতাকাটা এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল জুঁই। রবিবার সকালে পায়রা নদীতে স্বজনদের সঙ্গে গোসল করতে নামে সে। ভালো সাঁতার না জানায় একপর্যায়ে জোয়ারের তোড়ে নদীর গহীনে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক চেষ্টা চালিয়েও তাকে খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়।

ট্যাগ: বরগুনা

বাবাকে হারানোর পরও থামেনি স্বপ্ন, ডাক্তার হতে চায় টুঙ্গিপাড়ার শয়ন

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬২০২৬, ১১:২৫ PM ২৭ বার পড়া হয়েছে
বাবাকে হারানোর পরও থামেনি স্বপ্ন, ডাক্তার হতে চায় টুঙ্গিপাড়ার শয়ন
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

এসএসসিতে গোল্ডেন-৫, উপজেলা পর্যায়ে চতুর্থ; দরিদ্র মায়ের পক্ষে সন্তানের উচ্চশিক্ষার ব্যয় বহন করা কঠিন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,

একটি ছোট্ট ঘর। বৃষ্টির দিনে টিনের ফুটো দিয়ে পানি পড়ে। সংসারে অভাব নিত্যসঙ্গী। এর মধ্যেই পড়াশোনা চালিয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (গোল্ডেন-৫) অর্জন করেছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার দারিয়াড়কুল গ্রামের কিশোর শয়ন রাহা। এখন তার স্বপ্ন চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করা। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থসংকট।

Advertisement
Advertisement

শয়ন টুঙ্গিপাড়ার বালাডাঙ্গা এসএম মুসা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। পুরো টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ফলাফলে তার অবস্থান চতুর্থ। মেধা ও অধ্যবসায়ের এই সাফল্যে পরিবার ও এলাকাবাসী আনন্দিত হলেও সামনে উচ্চশিক্ষার খরচ কীভাবে জোগাড় হবে—এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় শয়ন ও তার মা।

মাত্র কয়েক মাস আগেই বাবাকে হারিয়েছে শয়ন। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে আকস্মিক স্ট্রোকে মারা যান তার বাবা বিপুল রাহা। বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের দায়িত্ব এসে পড়ে মা কমলা রাহার ওপর। বর্তমানে একটি পুরোনো সেলাই মেশিনে কাজ করে সংসার চালানোর পাশাপাশি ছেলের পড়াশোনার খরচ জোগানোর চেষ্টা করছেন তিনি।

Advertisement
Advertisement

দারিয়াড়কুল গ্রামের যে ঘরে শয়ন ও তার মা বসবাস করেন, সেটিও জরাজীর্ণ। বৃষ্টির সময় ঘরের টিনের ফুটো দিয়ে পানি পড়ে। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও শয়ন পড়াশোনা চালিয়ে গেছে। অভাব তার পড়াশোনার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালেও মেধা ও স্বপ্ন থেকে তাকে সরাতে পারেনি।

শয়নের কাছে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নের পেছনে রয়েছে বাবাকে হারানোর বেদনাদায়ক স্মৃতি। তার ভাষায়, চিকিৎসার অভাবে বাবাকে হারানোর কষ্ট তাকে সবসময় তাড়িয়ে বেড়ায়। তাই ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে এমন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায় সে।

Advertisement
Advertisement

শয়ন জানায়, ‘আমি ডাক্তার হতে চাই। আমার বাবার মতো যেন চিকিৎসার অভাবে আর কাউকে হারাতে না হয়। মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।’

আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা

ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা

কিন্তু চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল। মেডিকেল ভর্তি প্রস্তুতি, প্রয়োজনীয় বই, কোচিং, যাতায়াত, থাকা-খাওয়া থেকে শুরু করে পরবর্তী শিক্ষাজীবনের খরচ—সব মিলিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন। সেলাই করে সীমিত আয় করা মায়ের পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা কঠিন।

Advertisement
Advertisement

বালাডাঙ্গা এসএম মুসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্মল কুমার মন্ডল বলেন, শয়ন অত্যন্ত মেধাবী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও সে নিয়মিত পড়াশোনা করেছে এবং ভালো ফলাফল করেছে। তার মতো শিক্ষার্থীর পাশে সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ দাঁড়ালে তার ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হতে পারে।

শয়নের পরিবার ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, তার মেধা ও স্বপ্ন যেন অর্থের কাছে পরাজিত না হয়। একটি মেধাবী জীবনকে এগিয়ে নিতে ব্যক্তি উদ্যোগ, শিক্ষানুরাগী ও মানবিক সংগঠনগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।

Advertisement
Advertisement

শয়নের পাশে দাঁড়ানোর অর্থ শুধু একজন শিক্ষার্থীর পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়া নয়; বরং ভবিষ্যতের একজন চিকিৎসককে গড়ে ওঠার সুযোগ করে দেওয়া। আর সেই চিকিৎসক একদিন হয়তো অসংখ্য অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন—এমন আশাই এখন শয়ন ও তার মায়ের।

সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ

মোবাইল: ০১৭৩৬৩২৩৮১১

Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
১৭ আগস্ট ২০২৬

ট্যাগ: