শেকড়ের টানে আলোর খেয়া: দিলশাদুল হক শিমুল ও আদর্শলিপি বেদেপল্লী

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬২০২৬, ১০:৩৮ PM ২৩ বার পড়া হয়েছে
শেকড়ের টানে আলোর খেয়া: দিলশাদুল হক শিমুল ও আদর্শলিপি বেদেপল্লী
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  

জল-ডাঙার চিরন্তন লড়াইয়ে যাযাবর জীবন যাদের ভাগ্য, সেই বেদে সম্প্রদায়ের শিশুদের জীবনে শিক্ষার আলো ছড়ানো এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ধরে রাখার এক নীরব বিপ্লব চলছে গোপালগঞ্জের সাতাপারে। সমাজে চরম অবহেলিত ও প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠীর নতুন প্রজন্মকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে এবং তাদের আবহমান সংস্কৃতিকে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচাতে কাজ করে যাচ্ছেন সমাজকর্মী দিলশাদুল হক শিমুল। ২০১৮ সাল থেকে তিনি এই অনগ্রসর সম্প্রদায়ের উন্নয়নে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

Advertisement
Advertisement

একটি সুন্দর আগামীর স্বপ্ন নিয়ে শুরু হওয়া তাঁর এই কর্মযজ্ঞ কেবল প্রথাগত শিক্ষার বিস্তার নয়, বরং অবহেলিত এই মানুষের টেকসই পুনর্বাসন ও তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার এক অনন্য লড়াই।

একক চেষ্টায় স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা
দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী বাসস্থান ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত বেদে পরিবারের জীবনে সবচেয়ে বড় সংকট ছিল মাথা গোঁজার নিজস্ব ঠাঁই। দিলশাদুল হক শিমুল অনুধাবন করেছিলেন যে, স্থায়ী ঠিকানা ছাড়া এই জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন সম্ভব নয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত কয়েক বছরে সরকারের সাথে বারবার যোগাযোগ করে তিনি সম্পূর্ণ নিজের একক চেষ্টায় পঞ্চাশটি বেদে পরিবারের জন্য সরকারি আবাসন প্রকল্পের ৫০ টি ঘরের ব্যবস্থা করেছেন। যাযাবর জীবনের অবসান ঘটিয়ে এই পরিবারগুলোর জীবনে এখন এসেছে স্থায়ী স্থিতিশীলতা।

Advertisement
Advertisement

সংস্কৃতি কেন্দ্র ও শিক্ষার নতুন আঙিনা
স্থায়ী আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি বেদেদের কৃষ্টি-কালচার ধরে রাখতেও তিনি সরকারি পর্যায়ে জোরালো ভূমিকা রেখেছেন। বেদেদের সংস্কৃতি ও নিজস্ব ভাষার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য তিনি সরকারকে অনুরোধ করে একটি বিশেষ \'সংস্কৃতি কেন্দ্র\' প্রতিষ্ঠা করিয়েছেন। এই সংস্কৃতি কেন্দ্রটিই এখন বেদে সম্প্রদায়ের মিলনমেলা ও ঐতিহ্যের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জ সদর ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড নেই দেড় মাস, আটকে আছে সেবা

গোপালগঞ্জ সদর ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড নেই দেড় মাস, আটকে আছে সেবা

এই কেন্দ্রের ভেতরেই গড়ে উঠেছে তাঁর স্বপ্নের \'আদর্শলিপি বেদেপল্লী\' স্কুল। যেখানে বেদে শিশুদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি তাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি শেখার এক অপূর্ব সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
Advertisement

সংস্কৃতি ও ভাষা রক্ষার অভিনব সংগ্রাম
বেদে জনগোষ্ঠীর রয়েছে নিজস্ব ভাষারীতি, কৃষ্টি ও জীবনবোধ। তবে যাযাবর জীবনের কঠিন বাস্তবতায় এবং আধুনিকতার করাল গ্রাসে এই ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তপ্রায়। \'আদর্শলিপি বেদেপল্লী\' এই সংকট মোকাবেলায় রাখছে অনন্য ভূমিকা:

ভাষার প্রতি মমত্ববোধ: শিশুদের নিয়মিত শিক্ষার পাশাপাশি তাদের পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্যবাহী কথ্য ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখানো হয়।

Advertisement
Advertisement

আত্মমর্যাদার বিকাশ: প্রান্তিকতার গণ্ডি পেরিয়ে শিশুরা যাতে নিজেদের বেদে পরিচয়কে আড়াল না করে সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে, সেই মানসিক আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছেন দিলশাদুল হক শিমুল।

এক আলোর দিশারী ও টেকসই ভবিষ্যৎ
বলা হয়ে থাকে, \"যদি তোমার মুখ থেকে নিজস্ব ভাষা হারিয়ে যায়, তবে মন থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে তোমার শেকড়।\" দিলশাদুল হক শিমুল তাঁর দীর্ঘ আট বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় বেদে সম্প্রদায়ের সেই হারিয়ে যাওয়া শেকড়কেই রুখে দিয়েছেন। সমাজ সংস্কারক শিমুলের এই নিঃস্বার্থ উদ্যোগ আজ একঝাঁক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখাচ্ছে। তারা আজ সরকারি ঘরে ঘুমাচ্ছে, সংস্কৃতি কেন্দ্রে বসে বর্ণমালা শিখছে, দেশ ও সমাজকে চিনছে, এবং একই সাথে নিজেদের বুকেই বাঁচিয়ে রাখছে তাদের হাজার বছরের লোকজ সংস্কৃতিকে।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ:

গোপালগঞ্জ সদর ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড নেই দেড় মাস, আটকে আছে সেবা

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২০২৬, ৪:৫১ AM ৩০৩ বার পড়া হয়েছে
গোপালগঞ্জ সদর ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড নেই দেড় মাস, আটকে আছে সেবা
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত সেবাপ্রার্থী। সাবেক এসিল্যান্ড মো. রুহুল আমিন শরিফ বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব ছাড়ার পর প্রায় দেড় থেকে দুই মাস পেরিয়ে গেলেও নতুন কোনো কর্মকর্তা পদে যোগদান করেননি বলে জানা গেছে।

Advertisement
Advertisement

গুরুত্বপূর্ণ এই পদে স্থায়ী কর্মকর্তা না থাকায় ভূমি অফিসের নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ভূমি মালিক ও সেবাপ্রার্থীরা। বিশেষ করে নামজারি (মিউটেশন) নিষ্পত্তি, শুনানি গ্রহণ, ভূমি রেকর্ড সংশোধন, খাজনা-সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অভিযোগের ফাইল নিষ্পত্তিতে ধীরগতি দেখা দিয়েছে।

সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, জমি সংক্রান্ত জরুরি কাজে অফিসে এসে অনেককেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আবার কেউ কেউ একাধিকবার অফিসে গিয়েও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে জমি ক্রয়-বিক্রয়, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তি হালনাগাদ এবং অন্যান্য ভূমি সংক্রান্ত কাজে জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: নষ্ট ছেলে’ নিয়ে আসছেন কণ্ঠশিল্পী এম আর রুবেল

নষ্ট ছেলে’ নিয়ে আসছেন কণ্ঠশিল্পী এম আর রুবেল

স্থানীয়রা জানান, ভূমি সেবা মানুষের সম্পত্তির অধিকার, পারিবারিক উত্তরাধিকার ও দৈনন্দিন প্রয়োজনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দ্রুত একজন স্থায়ী সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদায়ন করা হলে সেবার স্বাভাবিক গতি ফিরবে এবং জনগণের ভোগান্তি কমবে বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, স্থায়ী কর্মকর্তা যোগদানের আগ পর্যন্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার মাধ্যমে জরুরি ফাইল ও আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হোক।

Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে দ্রুত নতুন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এই সংকটের অবসান হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সেবাপ্রার্থীদের।

ট্যাগ:

গোপালগঞ্জে লোকনাথ বাবার আবির্ভাব উৎসব ও জন্মাষ্টমী উদযাপন

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২০২৬, ২:২৫ AM ৪১৭ বার পড়া হয়েছে
গোপালগঞ্জে লোকনাথ বাবার আবির্ভাব উৎসব ও জন্মাষ্টমী উদযাপন
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

উৎসবমুখর পরিবেশ, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ভক্তদের ব্যাপক উপস্থিতির মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জে শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ২৯৬তম শুভ আবির্ভাব উৎসব ও পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত হয়েছে।

শুক্রবার ও শনিবার গোপালগঞ্জ শহরের লেকেরপাড়ে অবস্থিত সর্বজনীন শ্রীশ্রী লোকনাথ বাবার মন্দির প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পূজা-অর্চনা, ধর্মীয় আলোচনা ও বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

Advertisement
Advertisement

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি গোপালগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ  ডা. কে. এম. বাবর উপস্থিত না থাকলেও, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন লিপটন।

আরও পড়ুন: ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের অভিষেক ও লোগোর মোড়ক উন্মোচন

ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের অভিষেক ও লোগোর মোড়ক উন্মোচন

এ সময় মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের পদচারণায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। ধর্মীয় সঙ্গীত, পূজা-অর্চনা ও নানা আয়োজন ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

Advertisement
Advertisement

অনুষ্ঠানের আয়োজক শ্রী খকন কর্মকার জানান, সম্প্রীতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে ধারণ করে প্রতিবছরের মতো এবারও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় লোকনাথ বাবার আবির্ভাব উৎসব ও শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয়রাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ ভক্ত অংশগ্রহণ করেন।

ট্যাগ:

ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের অভিষেক ও লোগোর মোড়ক উন্মোচন

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬২০২৬, ৯:১১ PM ৩৯৯ বার পড়া হয়েছে
ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের অভিষেক ও লোগোর মোড়ক উন্মোচন
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা,

ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলের সুরমা হলরুমে ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের লোগোর মোড়ক উন্মোচন, আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Advertisement
Advertisement

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত সাংবাদিক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন ডাঃ মোঃ মাজহারুল আনোয়ার, জেলা গভর্নর, ১১৫ বি/১, লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল। তিনি ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের  লোগোর আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করেন।

Advertisement
Advertisement

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সরেজমিন বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নূর হাকিম। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দৈনিক মহাকালের সম্পাদক ও প্রকাশক খান সেলিম রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলফা ফ্রেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এল কে চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (কানাডা) লায়ন নাঈমা ফেরদৌসী, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং দেশ-বিদেশের প্রতিনিধিরা।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: কাশিয়ানীতে মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রশাসনের যৌথ অভিযান

কাশিয়ানীতে মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রশাসনের যৌথ অভিযান

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে সাংবাদিকতার পরিধি আর একটি দেশের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের ফলে সাংবাদিকতার ক্ষেত্র এখন আন্তর্জাতিক। তাই বস্তুনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল ও নৈতিক সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি সময়ের দাবি।

বক্তারা আরও বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় সংগঠিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

Advertisement
Advertisement

ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের বক্তারা সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান। তারা বলেন, দেশের সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সংগঠনটি কাজ করবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে।

আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি লায়ন ডাঃ মোঃ মাজহারুল আনোয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের লোগোর মোড়ক উন্মোচন করেন। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement
Advertisement

পরে প্রতিষ্ঠার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রদান করা হয়। অতিথিবৃন্দ নির্বাচিতদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অংশগ্রহণকারীরা ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্ব ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে সংগঠনটির সফলতা কামনা করেন।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ: